দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮৫ ব্রোকারেজ হাউজকে অসংশোধনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যার পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের জন্য বাড়তি সময় দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯৬১তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) অধীনে থাকা ২৯১টি ডুয়াল ট্রেকহোল্ডারের মধ্যে ২৪৪টি ট্রেকহোল্ডার অসংশোধনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যারটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করেছে। এছাড়া সিএসইর ৮২টি সিঙ্গেল ট্রেকহোল্ডারের মধ্যে সফটওয়্যার বাস্তবায়ন করেছে ৪২টি। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তবায়ন কার্যক্রম ধীরগতির হওয়ায় তাদের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
ডিএসইর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজকে অসংশোধনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের সময় দিয়েছে বিএসইসি। এগুলো হলো মিনহার সিকিউরিটিজ লিমিটেড, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড, আইএফআইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও ইউনিক্যাপ সিকিউরিটিজ লিমিটেড।
অন্যদিকে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় পেয়েছে ১০টি ব্রোকারেজ হাউজ। এগুলো হলো স্কয়ার সিকিউরিটিজ ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, কাজী ইকুইটিজ লিমিটেড, এইচএসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, মিকা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটিজ কোম্পানি লিমিটেড, স্টক অ্যান্ড বন্ড লিমিটেড, ফারইস্ট ইসলামী সিকিউরিটিজ লিমিটেড, অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও ডরিন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এছাড়া ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৩১টি ব্রোকারেজ হাউজ অসংশোধনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের সময় পেয়েছে।
সিএসইর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে ১৭টি ও ৩০ আগস্টের মধ্যে ২১টি ব্রোকারেজ হাউজকে অসংশোধনযোগ্য ব্যাক অফিস সফটওয়্যার বাস্তবায়নের সময় দিয়েছে বিএসইসি।